চায়ের আত্মকথা
চা হচ্ছে পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপভোগ্য পানীয়। ধোয়া উঠা হালকা সোনালি খয়েরী রংয়ের দুধ চা কিংবা লালচে রঙয়ের র' চা দুটোই মনে এনে দেয় একটি স্নিগ্ধ, প্রশান্তিদায়ক স্বাদ। চায়ের আরও ধরণ আছে। এই যেমন কালো চা,সবুজ চা,ইষ্টক চা,ওলোং চা আর প্যারাগুয়ে চা। এছাড়াও বিশ্বের কোথাও কোথাও সাদা চা এবং হলুদ চাও পরিচিত। সব ধরণের চা তৈরী করা হয় একই পাতা থেকে , কিন্তু তাদের প্রস্তুতকরণে আছে বেশ ভিন্নতা, তাই স্বাদেও একেক চা একেক রকম। চা পাতার বৈজ্ঞানিক নামটি হলো ক্যামেলিয়া সিনেনসিস ।কিছু কিছু চায়ে ক্যামেলিয়া সিনেনসিস থাকে না। ভেষজ চা হল একধরনের নিষিক্ত পাতা, ফুল, লতা ও উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ যাতে কোন ক্যামেলিয়া সিনেনসিস নেই। চীন দেশকে চায়ের জন্মভুমি বলা যায়। চীন দেশেই সর্বপ্ররথম চা পাতা পাওয়া যায়।১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। আর ভারতবর্ষে এর চাষ শুরু হয় ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশরা বাংলাদেশের সিলেটে সর্বপ্রথম চায়ের গাছ খুঁজে পায় এবং পরবর্তীতে.১৮৫৭ সালের দিকে বানিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এমন পাহাড়িয়া বা উচ্চ ঢালু জমি চা চাষের জন্য...